প্রিন্ট এর তারিখঃ Jun 3, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ May 12, 2026 ইং
লামা উপজেলায় বিভিন্ন প্রাথমিক স্কুল পরিদর্শন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

দীপংকর মল্লিক, বান্দরবান
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ (এমপি) বান্দরবানে সফর করেছেন। সোমবার(১১মে) সকাল ৯ টায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী লামা উপজেলা পরিষদে পৌঁছালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে এক বিশেষ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা নিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রশাসনিক সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ের স্কুল পরিদর্শনে বের হয়ে নুনার বিল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অংহ্লারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এবং প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণে শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ ও পাঠদান প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শন শেষে বেলা ১১.৩০ মিনিটে প্রতিমন্ত্রী লামা উপজেলা ত্যাগ করেন। দুপুরে বান্দরবান জেলা সদরে অবস্থিত রেইছা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই) পরিদর্শন করে প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সে সময় তিনি দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সরকার নানামুখী পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি আরো বলেন, উদ্বেগের বিষয় হয়ে হলো ‘বর্গা শিক্ষক’ বা প্রক্সি শিক্ষকের দৌরাত্ম্য।
বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় এর প্রবণতা অনেকাংশে বেশি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে বর্গা শিক্ষকদের কোনো জায়গা থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শিক্ষকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকতাকে কেবল চাকরি হিসেবে দেখলে হবে না; এটিকে দায়িত্ব হিসেবে নিতে হবে।
শিক্ষকরা যত্নবান হলে পড়ালেখার মান দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমাদের প্রাথমিক পর্যায়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী বাংলা ও গণিতের মতো মৌলিক বিষয়েও ন্যূনতম জ্ঞান রাখছে না।
পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু তালেব, পিটিআইয়ের পরিচালক ফজলুল হক ভূইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনিসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক ভোরের কথা