ইটের সলিংয়ে সাময়িক স্বস্তি, তবে স্থায়ী সমাধানের দাবি এলাকাবাসীর
প্রতিনিধি: আর,টি হাসান,মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ)
জাতীয় দৈনিক ‘ভোরের কথা’য় “মুকসুদপুরের মরণফাঁদ সড়ক: কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় জনজীবন বিপর্যস্ত” শিরোনামে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর অবশেষে টনক নড়েছে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌর কর্তৃপক্ষের। দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের পর বৃহস্পতিবার রাতে শহরের প্রধান সড়কে সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
‘ভোরের কথা’য় মুকসুদপুরের ভাঙাচোরা সড়কের কারণে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও মুমূর্ষু রোগীদের অবর্ণনীয় ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই পৌর কর্তৃপক্ষকে তৎপর হতে দেখা যায়। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পৌরসভার একটি ট্রাকযোগে ইট এনে শহরের সবচেয়ে ব্যস্ততম চৌরঙ্গী মোড়ের বড় বড় গর্তগুলো ভরাট করে ইটের সলিংয়ের কাজ শুরু করা হয়।
হঠাৎ এই সংস্কার কার্যক্রম দেখে পথচারী ও স্থানীয়রা সাধুবাদ জানিয়েছেন। একজন রিকশাচালক বলেন, "পত্রিকায় লেখার কারণে আজ রাস্তায় ইট পড়েছে। এখন অন্তত রিকশাটা চালানো যাবে।"
তবে এই পদক্ষেপকে অনেকেই একটি অস্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, অতীতেও এমন দায়সারা সংস্কার করা হয়েছে যা কয়েক মাসের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। ভারী যান চলাচলের কারণে ইটের সলিং বেশিদিন টেকসই হয় না।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর জোর দাবি, এমন জোড়াতালিভিত্তিক সমাধান না করে, কার্পেটিং বা আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে সড়কটির একটি স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার করা হোক। গণমাধ্যমের হস্তক্ষেপে কাজ শুরু হওয়ায় এবার স্থায়ী সমাধান হবে—এমনটাই প্রত্যাশা মুকসুদপুরবাসীর।
এ জাতীয় আরো খবর...