লোড হচ্ছে...
আজঃ 25 October 2026 | সময়ঃ
সদ্যপ্রাপ্ত :
চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মেসিকে নিয়েও হারল মায়ামি শুল্ক না থাকলে রাজস্ব ক্ষতি হবে ১৭০০ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ফাঁদে ১১ কোটি টাকা, রিমান্ডে চারজন শেয়ারবাজারে আসছে সিটি গ্রুপ, লক্ষ্য ১২ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন ফ্রান্সজুড়ে আরেক দফা গণবিক্ষোভের পর সংঘর্ষে গ্রেপ্তার প্রায় ১ হাজার এডিএন টেলিকমের পর্ষদ সভা ২৭ অক্টোবর এসিআই ফরমুলেশনের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা ইউসিবির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা ২৭ অক্টোবর সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের বোর্ড সভা সিলভা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর রানার অটোমোবাইলসের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা টেকনো ড্রাগসের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা ব্র্যাক ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা ২৭ অক্টোবর বার্জার পেইন্টসের পর্ষদ সভা ২৮ অক্টোবর মিডল্যান্ড ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা ব্যাংক এশিয়ার পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা বোর্ড সভার তারিখ জানিয়েছে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ বিজিআইসির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

কক্সবাজার সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যার রায়, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড।

দৈনিক ভোরের কথা ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন:

মতিউল ইসলাম (কক্সবাজার) 

কক্সবাজার চকরিয়ায় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট মো. তানজিম ছারোয়ার নির্জন হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে ৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া একই ঘটনায় দায়ের করা পৃথক অস্ত্র মামলায় ১৩ জনকে ১৭ বছর করে কারাদণ্ডের রায়ও দেয়া হয়েছে করেছে। উভয় মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৫ জনকে খালাসের রায় দেয়া হয়েছে।

গত বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৫ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ রায় প্রদান করেন বলে জানান, মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) খোরশেদ আলম চৌধুরী ও বাদীপক্ষের প্রধান আইনজীবী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।
উভয়পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, মামলার রায় প্রদানকালে ১২ জন অভিযুক্ত আদালতে উপস্থিত ছিলেন। একজন আসামি পলাতক রয়েছে।
তারা জানিয়েছেন, বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। সকাল ১১ টার দিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে ১২ আসামিকে আদালতে আনা হয়। পরে বেলা সোয়া ১২ টার দিকে শুনানী শেষে বিচারক ডাকাতি ও হত্যা মামলায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় ৫ জনকে খালাস প্রদান করে রায় দেন বিচারক। এছাড়া পুলিশের দায়ের করা পৃথক অস্ত্র মামলায় ১৩ জনকে ১৭ বছরে করে কারাদণ্ড ও ৫ জনকে খালাস প্রদান করে রায় দেয়া হয়েছে।
হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪ জন হলো, চকরিয়ার ডুলহাজার ইউনিয়নের পূর্ব ডুমখালী এলাকার জাফর আলমের ছেলে মো. হেলাল উদ্দিন, রিংভং এলাকার মৃত কামাল হোসেনের ছেলে নুরুল আমিন, পূর্ব ডুমখালী এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে মো. নাছির উদ্দিন, একই এলাকার আবুল কালাম কবিরাজের ছেলে মোর্শেদ আলম।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ৯ জন হলো, চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনার নুরুল কবিরের ছেলে জামাল উদ্দিন বাবুল, পতিয়ারঘোনা এলাকার মৃত শহর মুল্লুকের ছেলে মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, ভরামুহুরি এলাকার আকতার আহমদের ছেলে মোহাম্মদ আনোয়ার হাকিম, পূর্ব মাইজপাড়ার মোজাফ্ফর আহমদের ছেলে জিয়াবুল করিম, একই এলাকার নুরুল আলমের ছেলে মো. ইমাঈল হোসেন, পূর্ব মাইজপাড়ার মৃত নুরুল আলমের ছেলে এনামুল হক প্রকাশ তোতা এনাম, পূর্বডুমখালী এলাকার মৃত নুরুল ইসলাম লালুর ছেলে মোহাম্মদ এনাম, রংমহল এলাকার নুর আলম মিস্ত্রির ছেলে মো. কামাল, রিংভং এলাকার গোলাম কাদেরের ছেলে আবদুল করিম।

মামলার রায় প্রদানকালে ১৩ জনের মধ্যে গোলাম কাদেরের ছেলে আবদুল করিম ছাড়া অপর ১২ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলায় খালাস প্রাপ্ত ৫ জন হলো, মো. ছাদেক, আনোয়ারুল ইসলাম, শাহ আলম, আবু হানিফ, মিনতাজ উদ্দিন।

এ ঘটনায় দায়ের করা অস্ত্র মামলায় হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪ জন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ৯ জন মোট ১৩ জনকে সাজা প্রদান করা হয়।

মামলার নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ভোরে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামে ডাকাতি প্রতিরোধ ও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এসময় ডাকাতদলের সদস্যরা পালাতে চেষ্টা করলে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) তাদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পরদিন ( ২৫ সেপ্টেম্বর ) মধ্যরাতে সেনা বাহিনীর ফাঁসিয়াখালী ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আব্দুল্লাহ আল হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে ডাকাতি ও হত্যা এবং পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে পৃথক ২টি মামলা দায়ের করেন। যেখানে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ ২৫ জনের নাম ছিল।

গত ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি পুলিশ তদন্ত শেষ করে ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র ( চার্জশীট ) দাখিল করেছে।

সেনা কর্মকর্তা হত্যায় ১৭ জনের নামে মামলা হলেও সেখান থেকে এই হত্যাকাণ্ডে ৬ জনের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে অভিযোগপত্র থেকে। ব্যাপক তদন্তে বের হয়ে আসে এজাহারের বাইরে থাকা আরও ৭ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে ১৮ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতিসহ হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অভিযোগপত্র আদালতে গৃহিত হওয়ার পর বিচারকার্য শেষে বুধবার আদালত এ রায় প্রদান করেন।

লেফটেন্যান্ট তানজিমের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। তিনি ৮২তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে ২০২২ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে আর্মি সার্ভিস কোরে (এএসসি) কমিশন লাভ করেন।

ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
20251001-014759
---------------------------------------------------------------------
img140-3
---------------------------------------------------------------------
img12-2