লোড হচ্ছে...
আজঃ 25 October 2026 | সময়ঃ
সদ্যপ্রাপ্ত :
চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মেসিকে নিয়েও হারল মায়ামি শুল্ক না থাকলে রাজস্ব ক্ষতি হবে ১৭০০ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ফাঁদে ১১ কোটি টাকা, রিমান্ডে চারজন শেয়ারবাজারে আসছে সিটি গ্রুপ, লক্ষ্য ১২ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন ফ্রান্সজুড়ে আরেক দফা গণবিক্ষোভের পর সংঘর্ষে গ্রেপ্তার প্রায় ১ হাজার এডিএন টেলিকমের পর্ষদ সভা ২৭ অক্টোবর এসিআই ফরমুলেশনের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা ইউসিবির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা ২৭ অক্টোবর সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের বোর্ড সভা সিলভা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর রানার অটোমোবাইলসের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা টেকনো ড্রাগসের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা ব্র্যাক ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা ২৭ অক্টোবর বার্জার পেইন্টসের পর্ষদ সভা ২৮ অক্টোবর মিডল্যান্ড ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা ব্যাংক এশিয়ার পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা বোর্ড সভার তারিখ জানিয়েছে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ বিজিআইসির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

দুই জেলাকে বিভক্তকারী কুমার নদী এখন বর্জ্যের ভাগাড়

দৈনিক ভোরের কথা ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন:

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আর. টি. হাসান, মুকসুদপুর

একদিকে সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নদী খনন প্রকল্প, অন্যদিকে সেই নদীতেই ফেলা হচ্ছে শহরের টন টন বর্জ্য। এই বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী কুমার নদে। গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভার টেংরাখোলা বাজারের বর্জ্যে নদীটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে, যার দুর্গন্ধে দুই জেলার হাজারো মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
কুমার নদটি গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা এবং ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলাকে ভৌগোলিকভাবে পৃথক করেছে। তবে দুই পাড়ের মানুষকে সংযুক্ত করেছে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো। যদিও নদীর ওপর দিয়ে বিশ্বরোডে একটি সেতু রয়েছে, দৈনন্দিন যাতায়াতের সুবিধার জন্য এই অঞ্চলের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকোটিই ব্যবহার করেন। মুকসুদপুর পৌরসভার দক্ষিণ চন্ডিবরদী ও সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের উত্তর চন্ডিবরদী গ্রামসহ বেশ কয়েকটি এলাকার প্রায় এক হাজার মানুষ প্রতিদিন এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু কুমার নদের পাড়ে ফেলা আবর্জনার পচা দুর্গন্ধে পথচারীদের নাকে রুমাল বা কাপড় চেপে চলাচল করতে হয়, যা তাদের নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মুকসুদপুর পৌর বাজারের সব আবর্জনা, বিশেষ করে সাঁকোর পাশেই অবস্থিত মুরগির বাজারের উচ্ছিষ্ট সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে। ফলে নদীর পানি দূষিত হয়ে কালো রঙ ধারণ করেছে এবং স্রোত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়াও শহরের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলোর মুখও নদীতে এসে মিশেছে, যা দূষণের মাত্রাকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ বিপর্যয়

নদীটি দূষিত হলেও দুই পাড়ের নিম্ন আয়ের মানুষ গোসল, রান্নার কাজসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনে এই পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে চর্মরোগ, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিবেশবাদীরা বলছেন, এভাবে একটি ঐতিহ্যবাহী নদীতে বর্জ্য ফেলা জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি এবং নদীমাতৃক বাংলাদেশের জন্য একটি অশনিসংকেত।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও পথচারীরা জানান, কয়েক বছর আগে কোটি টাকা ব্যয়ে কুমার নদ পুনঃখনন করা হলেও পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এর সুফল মিলছে না। তারা দ্রুত এই বর্জ্য অপসারণ করে নদীতে ময়লা ফেলা বন্ধে পৌর প্রশাসনের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

জনমনে এখন প্রশ্ন, প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে কবে? দখল ও দূষণের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে ঐতিহ্যবাহী কুমার নদ কি তার হারানো জৌলুস ফিরে পাবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন দুই পাড়ের ভুক্তভোগী হাজারো মানুষ।

ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
20251001-014759
---------------------------------------------------------------------
img140-3
---------------------------------------------------------------------
img12-2