লোড হচ্ছে...
আজঃ 09 September 2026 | সময়ঃ
সদ্যপ্রাপ্ত :
নতুন সরকার, নতুন কমিশন—তবুও আইপিও শূন্য শেয়ারবাজার! ভ্যানগার্ড রূপালী ব্যাংক ফান্ডের কাঠামো বদল, এসজিএমের তারিখ ঘোষণা প্রাইম ব্যাংকের শেয়ার হস্তান্তর সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের কারখানা বন্ধ বোর্ড সভার তারিখ জানিয়েছে জিপিএইচ ইস্পাত নতুন ওয়েবসাইট চালু করল বিএসইসি দণ্ড পাওয়া ২০ কর্মকর্তার শাস্তি রাষ্ট্রপতির আদেশে মওকুফ শেয়ারবাজারে বড় ধস, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের ইসলামী ব্যাংক শেয়ার আটকে দিলেন আদালত লোকসানের ধারা অব্যাহত, নতুন অর্থবছরেও উন্নতি নেই তিতাস গ্যাসে সূচকের পতনে চলছে লেনদেন সিটি ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ আজ লেনদেন নিষ্পত্তিতে মেঘনা কনডেন্সডের ৫০০ শেয়ার কিনবে ডিএসই ‎আমরা নেটওয়ার্কের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ আমরা নেটওয়ার্কের লভ্যাংশ ঘোষণা প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় উল্লম্ফন, বেড়েছে ৫.২৬ বিলিয়ন ডলার শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের পথে বিএসইসি দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স দরপতনের শীর্ষে সায়হাম টেক্সটাইল বিএসইসি ও আইডিআরএ সংক্রান্ত দুই বিল সংসদে

রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি তিন জেলায় গতি বেড়েছে বাজেটে ৯৬৪ কোটি টাকা

দৈনিক ভোরের কথা ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন:

দীপংকর মল্লিক, বান্দরবান 

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি  সড়ক যোগাযোগ, নিরাপদ পানি সরবরাহ এবং বিদ্যুতায়ন খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই অর্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন খাতে ব্যয় করা হবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর মধ্যে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মন্ত্রণালয়টির জন্য বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। সেই তুলনায় এবার বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উন্নয়ন খাতের এ বরাদ্দ পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৯২ কোটি ৩৬ লাখ ৮২ হাজার টাকা। এছাড়া আবর্তক ব্যয় ৬৫৮ কোটি ৫৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা এবং মূলধন ব্যয় ৭৯৮ কোটি ৪৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও বিভিন্ন ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশ ব্যয় করা হবে। একই সঙ্গে কৃষি উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ, বিদ্যুতায়ন এবং পর্যটন-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নেও একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তিমূলক শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দুর্গম এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি ও নৃতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় মানুষের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি ও বৃক্ষরোপণ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রস্তাবিত এ বরাদ্দ বাস্তবায়িত হলে পার্বত্য অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
20251001-014759
---------------------------------------------------------------------
img140-3
---------------------------------------------------------------------
img12-2