লোড হচ্ছে...
আজঃ 09 September 2026 | সময়ঃ
সদ্যপ্রাপ্ত :
নতুন সরকার, নতুন কমিশন—তবুও আইপিও শূন্য শেয়ারবাজার! ভ্যানগার্ড রূপালী ব্যাংক ফান্ডের কাঠামো বদল, এসজিএমের তারিখ ঘোষণা প্রাইম ব্যাংকের শেয়ার হস্তান্তর সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের কারখানা বন্ধ বোর্ড সভার তারিখ জানিয়েছে জিপিএইচ ইস্পাত নতুন ওয়েবসাইট চালু করল বিএসইসি দণ্ড পাওয়া ২০ কর্মকর্তার শাস্তি রাষ্ট্রপতির আদেশে মওকুফ শেয়ারবাজারে বড় ধস, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের ইসলামী ব্যাংক শেয়ার আটকে দিলেন আদালত লোকসানের ধারা অব্যাহত, নতুন অর্থবছরেও উন্নতি নেই তিতাস গ্যাসে সূচকের পতনে চলছে লেনদেন সিটি ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ আজ লেনদেন নিষ্পত্তিতে মেঘনা কনডেন্সডের ৫০০ শেয়ার কিনবে ডিএসই ‎আমরা নেটওয়ার্কের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ আমরা নেটওয়ার্কের লভ্যাংশ ঘোষণা প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় উল্লম্ফন, বেড়েছে ৫.২৬ বিলিয়ন ডলার শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের পথে বিএসইসি দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স দরপতনের শীর্ষে সায়হাম টেক্সটাইল বিএসইসি ও আইডিআরএ সংক্রান্ত দুই বিল সংসদে

নাসিরনগরে স্বাস্থ্যসেবার নামে তামাশা: চিকিৎসক নেই ১০ বছর, বাবুর্চির হাতেই চলছে রোগীদের ‘চিকিৎসা’!

দৈনিক ভোরের কথা ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন: বাবুর্চি (কুক মশালচি) এখন বনে গেছেন ‘ডাক্তার’।

শেখ সাদী সুমন জেলা প্রতি নিধী ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এখন সাধারণ মানুষের সেবার বদলে চরম ভোগান্তি আর প্রতারণার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ এক দশক ধরে এখানে কোনো মেডিকেল অফিসার নেই। জনবল সংকটের এই চরম সুযোগ নিয়ে কেন্দ্রের একজন বাবুর্চি (কুক মশালচি) এখন বনে গেছেন ‘ডাক্তার’। গলায় স্টেথোস্কোপ ঝুলিয়ে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেওয়া থেকে শুরু করে সরকারি ওষুধ বিক্রির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

​প্রতিবেদনের মূল সারসংক্ষেপ:
​অবকাঠামো আছে, সেবা নেই: ১৯৯৯ সালে তিতাস নদীর পূর্ব পারে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রটি একসময় হাজারো মানুষের ভরসা ছিল। অথচ বর্তমানে মেডিকেল অফিসার, ফার্মাসিস্ট ও মিডওয়াইফসহ সবকটি গুরুত্বপূর্ণ পদই শূন্য।

​বাবুর্চির দৌরাত্ম্য: 
কেন্দ্রের বাবুর্চি মো. রাকিব মোল্লা এখন দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন এবং দুর্ব্যবহার করছেন।
​ওষুধ নিয়ে অনিয়ম: সরকারি ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও টাকা ছাড়া মিলছে না সেবা। টাকা দিতে না চাইলে জোটে কেবল তিরস্কার। এমনকি সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রির অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

​কর্তৃপক্ষের নীরবতা: 
দীর্ঘ ১০ বছরের এই সংকট নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

​জরুরি পর্যবেক্ষণ ও প্রতিক্রিয়া:
​এই পরিস্থিতি কেবল একটি প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, বরং গ্রামীণ জনগণের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার শামিল। স্বাস্থ্যসেবা খাতের মতো সংবেদনশীল জায়গায় একজন অদক্ষ কর্মীর মাধ্যমে চিকিৎসা পরিচালনা করা সরাসরি আইনের লঙ্ঘন।

দাবি ও সমাধান:
১. অবিলম্বে কেন্দ্রটিতে অন্তত একজন স্থায়ী চিকিৎসক বা স্যাকমো (SACMO) পদায়ন করতে হবে।
২. জালিয়াতি এবং রোগীদের সাথে প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩. ওষুধের মজুদ ও বিতরণ স্বচ্ছ করার জন্য ডিজিটাল মনিটরিং নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
20251001-014759
---------------------------------------------------------------------
img140-3
---------------------------------------------------------------------
img12-2