লোড হচ্ছে...
আজঃ 08 September 2026 | সময়ঃ
সদ্যপ্রাপ্ত :
প্রাইম ব্যাংকের শেয়ার হস্তান্তর সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের কারখানা বন্ধ বোর্ড সভার তারিখ জানিয়েছে জিপিএইচ ইস্পাত নতুন ওয়েবসাইট চালু করল বিএসইসি দণ্ড পাওয়া ২০ কর্মকর্তার শাস্তি রাষ্ট্রপতির আদেশে মওকুফ শেয়ারবাজারে বড় ধস, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের ইসলামী ব্যাংক শেয়ার আটকে দিলেন আদালত লোকসানের ধারা অব্যাহত, নতুন অর্থবছরেও উন্নতি নেই তিতাস গ্যাসে সূচকের পতনে চলছে লেনদেন সিটি ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ আজ লেনদেন নিষ্পত্তিতে মেঘনা কনডেন্সডের ৫০০ শেয়ার কিনবে ডিএসই ‎আমরা নেটওয়ার্কের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ আমরা নেটওয়ার্কের লভ্যাংশ ঘোষণা প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় উল্লম্ফন, বেড়েছে ৫.২৬ বিলিয়ন ডলার শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের পথে বিএসইসি দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স দরপতনের শীর্ষে সায়হাম টেক্সটাইল বিএসইসি ও আইডিআরএ সংক্রান্ত দুই বিল সংসদে বিকন ফার্মার কোম্পানি সচিব নিয়োগ বাপার ইবিটি কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ পেল ৪৬ হাজার মানুষ।

খাল পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণে চসিকের দুই প্রকল্প, ব্যয় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা।

দৈনিক ভোরের কথা ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন:

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে খাল পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পৃথক দুটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। প্রকল্প দুটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৭১ কোটি টাকা। এ লক্ষ্যে ‘আওয়ার পালস’ নামে একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

চসিক সূত্র জানায়, বর্তমানে জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৬ খাল নিয়ে চলমান মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হলে খালগুলো সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে এসব খালের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও আর্থিক সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে চসিকের। এ কারণে ৩৬টি খাল রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি প্রকল্প এবং মেগা প্রকল্পের বাইরে থাকা ২১টি খাল পুনরুদ্ধার ও সংস্কারের জন্য আরেকটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২২ কোটি টাকা এবং ২১ খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। গতকাল সিটি মেয়রের কাছে প্রকল্প দুটির বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘আওয়ার পালস’।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রস্তাবিত প্রকল্পে কিছু বিষয় সংযোজনের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, “মেগা প্রকল্পের বাইরে শুধু ২১টি নয়, আরো অনেক খাল রয়েছে। সংখ্যাটি ৪০ থেকে ৫০টির মতো হতে পারে। সম্প্রতি চান্দগাঁও এলাকায় একটি মৃত খাল দেখেছি, যার ওপর অনেক প্লট গড়ে উঠেছে। এ ধরনের খালও প্রকল্পের আওতায় আনতে হবে। ফলে প্রকল্পের ব্যয় বাড়তে পারে।”

৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, বর্তমানে সেনাবাহিনী খালগুলোতে কাজ করছে। প্রকল্প শেষ হলে এগুলো সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তখন নিয়মিত খনন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে হবে চসিককে। এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়া খালগুলোকে পর্যটনবান্ধব করে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

২১ খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পঃ

২০২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার বিভাগের এক সভায় চট্টগ্রাম ও ঢাকার সিটি করপোরেশনগুলোর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পর্যালোচনার সময় ২১টি খাল নিয়ে পৃথক প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

এরপর একই বছরের ২৩ আগস্ট সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগে দরপত্র আহ্বান করে চসিক। ওয়াশো ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডকে এ কাজের দায়িত্ব দেয়া হলেও প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের শুরুতে কাজ করতে অপারগতা জানায়। পরে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা সিইজিআইএসও একইভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও ডিপিপি প্রণয়নে চীনের পাওয়ার চায়নার সহযোগিতা চায় চসিক। এ বিষয়ে রাজধানীতে প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ম্যানেজারের সঙ্গে বৈঠকও করেন মেয়র। সর্বশেষ ‘আওয়ার পালস’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করে।

মেগা প্রকল্পের বাইরে থাকা উল্লেখযোগ্য খালের মধ্যে রয়েছে কাটা খাল, কৃষ্ণ খাল, কুয়াইশ খাল, যুগীর খোলা খাল, ফরেস্ট খাল, বাইজ্জা খাল, চট্টেশ্বরী খাল, রামপুর খাল, বালুখালী খাল, বারিঙ্গাছড়া খাল ও ধামাইর খালসহ বিভিন্ন সংযুক্ত খাল।

৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পঃ

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অধীনে সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করছে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকার জলাবদ্ধতা নিরসন মেগা প্রকল্প। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এর আওতায় রয়েছে ৩৬টি খাল।

প্রস্তাবিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পে ৩২২ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ‘আওয়ার পালস’-এর প্রতিবেদনে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে খালগুলোর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতা নিরূপণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রথম ধাপে (১-৬ মাস) জরুরি ভিত্তিতে খাল থেকে পলি ও বর্জ্য অপসারণ এবং ডিজিটাল ইনভেন্টরি প্রস্তুত করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে (৬-২৪ মাস) খালের কাঠামোগত উন্নয়ন, ইউ-ওয়াল নির্মাণ এবং নাগরিক অভিযোগ ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হবে। তৃতীয় ধাপে (২-৫ বছর) আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জলাবদ্ধতা ব্যবস্থাপনা, বন্যা পূর্বাভাস ও ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
20251001-014759
---------------------------------------------------------------------
img140-3
---------------------------------------------------------------------
img12-2