বিশেষ প্রতিনিধিঃ চৌধুরী জুয়েল রানা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানা বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় থানা বিএনপির কার্যালয়ে এ আয়োজন হয়।
দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার পূর্ণ সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। একই সঙ্গে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তাঁর কনিষ্ঠপুত্র আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থ দীর্ঘায়ু ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাতের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিএম বাকির হোসেন স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক বিএম নাগিব হোসেন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন,
“দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাহস, দৃঢ়তা ও জনগণের কল্যাণে আত্মনিবেদনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর নেতৃত্বে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার রক্ষায় যে সংগ্রাম হয়েছে, তা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি—তিনি যেন সুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন আমাদের মাঝে থাকেন এবং জাতিকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে যেতে পারেন।”
ভার্চুয়ালি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট বক্তব্য দেন। তিনি বলেন,
“আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা দেশনেত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ুর জন্য দোয়া করছি। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি জাতির আশা-ভরসার প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পথে ফিরবে।”
নড়াগাতি থানা বিএনপির সহ-সভাপতি লস্কর ফিরোজ আহমেদ বলেন,
“দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ছিল সংগ্রামী ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। তাঁর জন্মদিন আমাদের জন্য আনন্দের পাশাপাশি নতুন শপথ নেওয়ার দিন—গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।”
সবশেষে বিএম বাকির হোসেন স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি বাবলু বলেন,
“আমাদের নেত্রী অসংখ্য মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। তাঁর জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গীকৃত। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করছি, যাতে তিনি আমাদের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকেন।”
মোনাজাতের মাধ্যমে দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। পরে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের জন্য খাবার বিতরণ করা হয়, যা অনুষ্ঠানকে উষ্ণতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রদায়ের ঐক্যের এক প্রতীক হিসেবে চূড়ান্ত রূপ দিয়েছে। এই সমাপনী অংশে প্রমাণিত হয় যে, দেশের মানুষের প্রতি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা আজও অটুট।
এ জাতীয় আরো খবর...